অ্যামেরিকায় স্টাডি ভিসার নিয়মে দুটি বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই পদক্ষেপ বিদেশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করতে পারে।
ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী,পরিবর্তিত হতে যাওয়া দুটি নিয়মের মধ্যে একটি হচ্ছে ‘ইন্টেন্ট টু লিভ’ নিয়মের অবসান। অপরটি হচ্ছে, স্থির সময়সীমার ভর্তি নীতি (ফিক্সড পিরিয়ড অ্যাডমিশন) যা চালু হলে অ্যামেরিকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিকল্পনায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।
ইতোমধ্যে, কংগ্রেসম্যান মারিয়া এলভিরা সালাজার এবং ভেরোনিকা এস্কোবার, সঙ্গে ২০ জন সদস্য ডিগনিটি অ্যাক্ট ২০২৫ প্রস্তাব করেছেন। এই আইনের মাধ্যমে ‘ইন্টেন্ট টু লিভ’ নিয়ম বাতিল করা হবে।
বর্তমানে এফ-১ স্টাডি ভিসার জন্য আবেদনকারীদের অ-অভিবাসী ইচ্ছা (নন -ইমিগ্রেন্ট ইন্টেন্ট) প্রমাণ করতে হয়। অর্থাৎ, শিক্ষার্থীদের বলতে হয় যে তারা পড়াশোনা শেষ হলে অ্যামেরিকা ছাড়বেন। এছাড়া, প্রমাণ হিসেবে তাদের নিজ দেশে সম্পত্তি বা অন্যান্য সংস্থান দেখাতে হয়।
প্রস্তাবিত ডিগনিটি অ্যাক্টে এই শর্ত আর থাকছে না, যা বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সুবিধাজনক হবে।
নতুন প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মাধ্যমে এই বাধা দূর হবে। অর্থাৎ, যদি এই প্রস্তাব পাস হয় তবে ‘ইন্টেন্ট টু লিভ’ দেখাতে না পারার কারণে শিক্ষার্থীদের ভিসা নাকচ হওয়ার ঘটনা কমে আসবে।
তবে, যারা পড়াশোনা শেষে অ্যামেরিকায় থাকতেও চান, তাদের এখনও প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মসংস্থানভিত্তিক বা অন্যান্য ভিসার যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
এদিকে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট (ডিএইচএস) প্রস্তাব করেছে যে এফ, জে, এবং আই ধরনের ভিসার জন্য ‘ডিউরেশন অফ স্ট্যাটাস’ পদ্ধতি বাতিল করে নির্দিষ্ট সময়সীমার ভর্তি নীতি (ফিক্সড টাইম পিরিয়ড) চালু করা হবে।
বর্তমানে ডিউরেশন অফ স্ট্যাটাস অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা নন-ইমিগ্র্যান্ট স্ট্যাটাস বজায় রেখে অ্যামেরিকায় নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী সময় নিয়ে থাকতে পারেন।
তবে নতুন নিয়ম চালু হলে, এফ-১ স্টাডি ভিসাধারীদের নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ হলে দেশে ফিরে যেতে হবে।
News আরও একটি ওয়ার্ডপ্রেস সাইট